Media News 99

This the Best Media News Update Site In World

জেনে নিন ! কম বয়সে বিয়ে করার উপকারিতা !

বিয়ের সঠিক বয়স কোনটি তা নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। অনেকে বলেন- বিয়ে এবং সম্পর্ক আসলে কী তা বুঝে তবেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত। আর বিয়ের সাথে অর্থনৈতিক বিষয়ও জড়িত থাকে বলে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী না হওয়া পর্যন্ত অনেকেই বিয়ের কথা ভাবেন না। কিন্তু সত্যি বলতে কি বয়স একটু কম থাকতেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলা উচিত। এতে জীবনটা অনেক বেশিই সহজ মনে হবে আপনার কাছে। আপনি যদি ৩০ পার করে বিয়ে করেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই আপনার বয়সের কারণে আপনার মধ্যে যে গাম্ভীর্য চলে আসবে তার জন্য সম্পর্ক খুব বেশি মধুর ও ঘনিষ্ঠ হবে না। ব্যাপারটি বরং এমন হবে যে, বিয়ে করা উচিত তাই বিয়ে করেছি। এ কারণে আগেই বিয়ে করা ভালো। যখন আবেগ কাজ করে অনেক।

বেশি বয়সে বিয়ে করলে স্বামী-স্ত্রী নিজেদের জন্য সময় দিতে সময় পান না বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সন্তান গ্রহনের প্রয়োজন ও তাগিদ চলে আসে। আর সন্তান হয়ে গেলে দু’জনের একান্ত সময় কাটানো খুব বেশি হয়ে ওঠে না। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ভালো বন্ধুত্ব গড়ে ও বোঝাপড়া গড়ে ওঠেনা । কিন্তু অল্প বয়সে বিয়ে করলে সঙ্গীর সাথে অনেকটা সময় পাওয়া যায়। এতে সম্পর্ক অনেক ভালো ও মধুর থাকে। একজন উপর্যুক্ত সঙ্গিনী তার সঙ্গীকে খারাপ এবং জীবনের জন্য ঝুঁকিকর কাজ করা থেকে বিরত রাখতে পারে। যেমনঃ মদ্যপান, মাদক সেবন ইত্যাদি।

অনেকেই ভাবেন অল্প বয়সে বিয়ে করলে পড়াশোনা বা ক্যারিয়ার এর ক্ষতি হয়, কিন্তু আসলে কি তাই ? বরং পাশে প্রেরণা দেবার একজন মানুষ থাকলেই পড়াশোনা বা ক্যারিয়ার এর জন্য ভালো হয়। প্রেরণা, ভালবাসা, দায়িত্ব সব মিলিয়ে বিভিন্ন বাধা বিপত্তি সামলে-জীবন সফলতার দিকে অগ্রসর হতে সহায়ক হয় । অল্প বয়সে বিয়ে করলে জীবনের সবকিছু ভাগ করে নেয়া যায়। ফলে মানসিক চাপটাও কম পড়ে। এছাড়াও আপনি যখন কারো সান্নিধ্যে থাকবেন তখন বেঁচে থাকার একটা কারণ খুঁজে পাবেন। এক্ষেত্রে জীবন সঙ্গী আপনার ও জীবনে প্রতিষ্ঠা পাবার বিরাট অনুপেরণা ও অবলম্বন হয়ে দাঁড়ায়।

তিরিশের আগে বিয়েতে কিছু স্বাস্থ্যগত সুফলও আছে, জীবনসঙ্গী মানুষকে আবেগ অনুভূতি বাড়িয়ে দেয়, সামাজিকভাবে একত্রে রাখে, মানসিকভাবে সমর্থন দেয়, যার সব কিছুই সুস্থ স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজন।

ভালোবাসা হৃদযন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা বিবাহিত অথবা কোন সম্পর্কের মাঝে আছে তাদের হার্ট-অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা নিঃসঙ্গ মানুষের চেয়ে কম। গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে যে সঙ্গীর নিবিড় সঙ্গ এবং নতুন পরিবারের নতুন সব আত্মীয় স্বজন ও বন্ধু- বান্ধবের সাথে ভালো বন্ধনের কারণে হার্ট-অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস পায়। কারণ পরিবারের সাথে থাকলে মানুষ উৎফুল্ল থাকে।

বিয়ে শরীরের হাড় মজবুত করে। অবাক হচ্ছেন? আসলেও তাই। বিয়ে শরীরের হাড় শক্ত করে এবং বিভিন্ন হাড়ের রোগের ঝুঁকি কমায়। বিয়ে হাড়ের খনিজ ঘনত্ব ঠিক রেখে হাড়ের এক ধরণের রোগ “অস্টিওপরোসিস”হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

২০১৩ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যে সকল মানুষ মরণ ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিল তাদের মধ্যে শতকরা ২০ ভাগ এর বেশি মানুষ আরোগ্য লাভ করতে সক্ষম হত যদি তারা বিবাহিত হত। এই সাফল্যের হার কেমোথেরাপির থেকেও বেশি।

সুখী দম্পতিদের ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, ফাইব্রোমাইলজিয়ার মত অসুখ বিশুক তুলনামূলক ভাবে অনেক কম হয় । তাই দেরী নয়, সঠিক সময়ে বিয়ে করুন, ভালো থাকুন ।

Loading...
[X]

Related posts:

প্রতিদিন আলু খাওয়ার সঙ্গে আমাদের শরীরে কীভাবে বিষ ঢুকছে জানেন...?
সদ্য-বিবাহিত নারীদের যে ৮ টি প্রশ্ন ভুলেও করবেন না !
স্বামী – স্ত্রীর মারাত্মক যে ৮ টি ভূলের কারনে সন্তান প্রতিবন্দী হতে পারে!
পুরুষের যে ৫টি গুণ মেয়েদের প্রেমে ফেলবেই ! জেনে নিন গুণ গুলি কি কি !
যে ৮ টি মুহূর্তে নারীদের সবচাইতে বেশী উত্তেজনা উঠে !!! (আপনার বিশ্বাস না হলে এই ভিডিওটি দেখুন প্লিজ!...
জেনে নিন? মেয়েরা কখন সহবাসের জন্য পাগল হয়ে যায়...?
Updated: July 19, 2016 — 8:58 am

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Media News 99 © 2016 Frontier Theme